সেরা ৭ টি সুড়ঙ্গ। পৃথিবীর রহস্যময় সুড়ঙ্গ।
ইতিহাসে আমরা অনেক(huge) সুরঙ্গের কথা শুনেছি। এমন কি ভারতেও অনেক সুরঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল যার সঙ্গে অনেক বড় বড় ঘটনাও(amazing story) জড়িয়ে আছে। কিন্তু আমরা হয়তো অনেকেই জানি না পৃথিবীতে (world)এমন কিছু নাম করা সুরঙ্গ আছে যা দিয়ে এক সময় অনেক বড় বড়
অপরাধ ঘটেছিল। চলুন আজ আমরা পৃথিবীর সেরকম সাতটি ৭ বিখ্যাত সুরঙ্গের কথা জেনে নিই।
১। ইউ এস মেক্সিকো সুরঙ্গঃ
মেক্সিকো আর (and)মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের সুড়ঙ্গগুলো মাদক পাচারের অন্যতম রুট। তবে এর মধ্যে ২৭০ ফুট (270 ft long)লম্বা সুড়ঙ্গটিই খুঁজে পাওয়া যায় প্রথমে। আরিজোনার ডগলাস এলাকায় প্রথম(first) এর সন্ধান পান ফিলিপ ডে জেসাস নামের এক স্থপতি। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে উদ্ধারকৃত(collect) ২ হাজার পাউন্ড কোকেইন এবং গাঁজা বাজেয়াপ্ত করেন স্থানীয় প্রশাসন।
২। সোনার সুরঙ্গঃ
KFC স্থানীয় শপিং মলের জুয়েলারি দোকানে ডাকাতির উদ্দেশে একটি সুড়ঙ্গ তৈরি করেন(amiricanl আমেরিকার কয়েকজন দুষ্কৃতকারী। প্রথমে সামনের দিকের জানালা তার পর পেছনের দরজা ভেঙে(break) ফেলার চেষ্টা করেন দুষ্কৃতীরা। কিন্তু পরে তাদের মাথায় আসে বাথরুম(bathroom) ঘেঁষে
একটি সুড়ঙ্গ তৈরির পরিকল্পনা। নিঃশব্দে কোটি(core) টাকার স্বর্ণের মালিক হওয়ার এটাই সুবর্ণ সুযোগ। হায়! সুড়ঙ্গ পার(after inter the room) হতেই মাথায় হাত অপরাধীদের,স্বর্ণের দোকানের পরিবর্তে ভুল পথে তারা চলে এসেছে কেএফসির দোকানে। অগত্যা স্বর্ণের বদলে (food)খাবার দাবারেই তৃপ্তির ঢেঁকুর🤣😂
৩। ব্রাজিলের গোল্ড ডিগার সুরঙ্গঃ
ব্যাংক ডাকাতির জন্য ব্রাজিলের ২৬২ (262 ft)ফুট গভীর ‘গোল্ড ডিগার’ (gold digger)করা হয়েছিল। ২০০৫ সালের আগস্টে এই সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে ব্রাজিলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক(brazilian central bank) থেকে ৪ কোটি ইউরো নিয়ে যান ডাকাতরা।পরিকল্পনা অনুযায়ী সুড়ঙ্গ যেখানে হবে সেখানে(fake flowers) নকল ঘাসের দোকান খুলে বসেন ডাকাতের দল। ঘাসে, ঢেকে, ফেলা হয় সুড়ঙ্গের মুখ। দোকানের ব্র্যান্ডিংয়ে স্থানীয় (social media)সংবাদমাধ্যমগুলোতে দেয়া হয় প্রচুর বিজ্ঞাপন। দোকানের পেছনের অংশে তৈরি করা হয়(special room) বিশেষ একটি কক্ষ। কৃত্রিম ঘাস বিকিকিনির আড়ালে সেই কক্ষ (roo)থেকেই চলে সুড়ঙ্গ অভিযান। ব্রাজিলে এখনো অপরাধবিষয়ক আলোচনার (top amazing story)শীর্ষে উঠে আসে সেই ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা।
৪.বার্লিনের ব্যাংক ডাকাতি
২০১৭ সালের গোড়ার দিকে হঠাৎ করে রাজধানী(capital) বার্লিনের একটি ব্যাংক থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। তালাবদ্ধ ব্যাংকটিতে(the bank) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রশাসনকে জানান স্থানীয়রা। পুলিশ আসতেই বেরিয়ে এলো আসল গল্প। ব্যাংকের সেফটি (safety)ভল্টের নিচে ১৩৫ ফুট সুড়ঙ্গ। চওড়ায় প্রায় ৩ (3 ft)ফুট। পাশের একটি পার্কিং প্লেস থেকে শুরু করে সুড়ঙ্গটি একেবারে সেফটি(safety volt) ভল্টের নিচে গিয়ে শেষ হয়েছে। ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে ব্যাংকে(bank) ঢুকে চোররা লোপাট করেছেন ১ কোটি ইউরো। পুলিশ জানান ডাকাতরা পেশাদার সুড়ঙ্গ(digger) খোদকও বটে। খুঁড়তে সময়(time) লেগেছে অন্তত এক মাস। কাজ শেষে প্রমাণ মুছে দিতে সুড়ঙ্গতে আগুনও (fire)ধরিয়ে দেন ডাকাতরা।
৫. যুদ্ধের সুড়ঙ্গ
চির চির প্রতিদ্বন্দ্বী উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার(middle) মাঝামাঝি এলাকায় আছে বেশকটি সুড়ঙ্গ। দক্ষিণ কোরিয়ায় আচমকা আক্রমণের উদ্দেশেই(goal) এগুলো তৈরি করেছে উত্তর কোরিয়া। প্রথমে সুড়ঙ্গ তৈরির কথা (অস্বীকার করে পিয়ংইয়ং। পরে ১৯৭০ সালে দুটি সুড়ঙ্গ আবিষ্কার হতেই চাপের মুখে পড়ে,, উত্তর কোরিয়া। আমতা আমতা করে(told) বলে কয়লা অনুসন্ধানেই সুড়ঙ্গটি তৈরি করা হয়েছে।১৯৭৮ সালে ধরা পড়ে তৃতীয় সুড়ঙ্গটি। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল (সুরঙ্গের ইতিহাস) থেকে প্রায় ২৭ মাইল দূরত্বে অবস্থিত সুড়ঙ্গটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১.১ মাইল,চওড়ায় ৬.৬ ফুট। সুড়ঙ্গটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন এর(সুরঙ্গের ইতিহাস) ভেতর দিয়ে ঘণ্টায় একটি করে সেনাবহর দক্ষিণ কোরিয়ায় ঢুকতে পারে। ১৯৯০ সালে বের (সুরঙ্গের ইতিহাস)হয় চতুর্থ সুড়ঙ্গ। ধারণা করা হয় দক্ষিণ কোরিয়ায় আগ্রাসন চালাতে এমন আরো ২০টি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে(সুরঙ্গের ইতিহাস) রেখেছে উত্তর কোরিয়া। তার মধ্যে ১৯৭৮ সালে ধরা পড়া তৃতীয় সুড়ঙ্গটি (সুরঙ্গের ইতিহাস)সাপের বর হয়েছে সিউলের জন্য। সুড়ঙ্গটি এখন রীতিমতো (সুরঙ্গের ইতিহাস)পর্যটন কেন্দ্র হয়ে গেছে।
৬। চোরাকারবারির ঐতিহ্যঃ
পুর UK জুড়ে ছড়িয়ে বহু গোপন সুড়ঙ্গ আছে,যেগুলো সাধারণত(সুরঙ্গের ইতিহাস) চোরাকারবারির কাজেই ব্যবহৃত হয়। সেগুলোতে(সুরঙ্গের ইতিহাস) মাদক, চিনি, চা চোরাচালাল হয়ে থাকে। সম্প্রতি কয়েক বছর আগে হাস্টিংস শহরে জলের লাইনের গর্ত(hole) তৈরির সময় সন্ধান মিলেছে প্রায় ৬৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সুড়ঙ্গের। ধারণা করা হচ্ছে এটি ১৮শ (18 century)শতকে তৈরি।
৭।কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র চোরাপথঃ
সবার দৃষ্টি যখন মেক্সিকো-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তের সুড়ঙ্গপথে এমন (in this time)সময় কানাডায় সন্ধান পাওয়া গেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রমুখী আরেকটি সুড়ঙ্গের। উত্তরের বন্ধু (netive country)দেশটির কাছ থেকে স্বভাবতই এমনটা আশা করেনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।এতে কানাডার কী দোষ? সীমান্তে গর্ত খুঁড়তে (সুরঙ্গের ইতিহাস)তো কাউকে নিয়োগ করেনি দেশটি। সন্দেহের তীর গিয়ে পড়ে বছরখানেক (সুরঙ্গের ইতিহাস)আগে রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা মাপতে আসা ব্যক্তিদের ওপর। কানাডার আশঙ্কাকে(duet) সত্য প্রমাণ করে মার্কিন তদন্ত। রাজধানী ওয়াশিংটনের লিন্ডেনে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি (home)থেকেই সুড়ঙ্গের উত্পত্তি। যার দৈর্ঘ্য ৩৬০ (360 ft)ফুট। কাঠ ও নানা দামি ধাতব পদার্থ(multiple stell) দিয়ে মজবুত কাঠামোতে তৈরি হয় সুড়ঙ্গটি।
.jpeg)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন